আসুন! শান্তিময় বাংলাদেশ গড়ে তুলি

আসুন! শান্তিময় বাংলাদেশ গড়ে তুলি মুহাম্মাদ শেখ রমজান হোসেন, ডাইরেক্টর-ইন-চার্জ,ওয়ার্ল্ড পীস রিসার্চ সেন্টার।
অবশেষে দীর্ঘ দেড় দশকের ব্যবধানে বাংলাদেশে পরিস্থিতির নাটকীয় পরিবর্তন ঘটেছে।জাতির উদ্দেশ্য প্রদত্ত ভাষণে সেনা প্রধান অন্তবর্তিকালীন সরকার গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন পাশাপাশি চলমান আন্দোলনের পরিসমাপ্তি ঘটিয়ে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য আন্দোলনকারীদের প্রতি উদাত্ত আহবান জানান। ভাষণের পূর্বে সেনা প্রধান জামায়াতে ইসলামীর আমীর, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জাতীয় পার্টি, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জনাব নাহিদুল ইসলাম আসিফ ছাড়াও সুশীল সমাজের পক্ষে ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আসিফ নজরুল প্রমুখ। পরবর্তীতে জাতীয় সংলাপে যোগদান করেন ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন বাংলাদেশ, হেফাজতে ইসলাম, বাংলাদেশসহ আরও অন্যান্য শীর্ষস্থানীয় ইসলামী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। সেনা প্রধান আশা করেন, বাংলাদেশ সুন্দর অবস্থার দিকে এগিয়ে যাবে ইনশা আল্লাহ। মাননীয় প্রেসিডেন্টের সাথে এ ব্যাপারে জরুরী বৈঠকে বসবেন মর্মেও সেনা প্রধান ভাষণে জানান। https://www.jugantor.com/national/834383/সেনাবাহিনীর-বৈঠকে-জামায়াতসহ-ডাক-পেলেন-যারা এদিকে দেশের সর্বস্তরের জনগণ ও দলের নেতাকর্মীদের শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের উদ্যোগকে সফল করতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বানও জানান তিনি। জাতির উদ্দেশ্যে লন্ডন থেকে প্রদত্ত ভার্চুয়াল ভাষণে বিএনপি নেতা তারেক জিয়া বলেনঃ প্রতিশোধ নয়, শান্ত থাকুন। পুরানা পল্টনে বিএনপির দলীয় কার্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠিত জনসমাবেশে হাসপাতাল থেকে প্রদত্ত ভার্চুয়াল ভাষণে “হিংসা, প্রতিশোধের পরিবর্তে ভালবাসা ও শান্তির বাংলাদেশ গড়ে তুলতে” তরুণদের সহযোগিতার আহবান খালেদা জিয়ার। তারিখঃ ৭ আগষ্ট, বুধবার। এদিকে দীর্ঘ ১১ বছর পর ৫ আগষ্ট বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঢাকায় অবস্থিত কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে প্রবেশ করে প্রদত্ত আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমানের ঘোষণা “প্রতিশোধ নয়, ক্ষমায়ই কল্যাণ”। (সূত্রঃ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মুখপত্র দৈনিক সংগ্রাম, বর্ষ ৫৪, সংখ্যা ১৯১, পৃষ্ঠাঃ ১, কলাম ৭, তারিখঃ ৬, আগষ্ট, ২০২৪)। বাংলাদেশে সৃষ্ট রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের বাংলাদেশের জনগণের প্রতি উদাত্ত্ব আহবান বাংলাদেশে সৃষ্ট রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে এক মন্তব্যে জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস সব পক্ষকে শান্ত ও সংযত এবং মানবাধিকারের প্রতি পূর্ণ সম্মান জানানোর আহ্বান জানিয়ে বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে পূর্ণ সংহতি প্রকাশ করেন। একইসঙ্গে তিনি সব ধরনের সহিংসতার পূর্ণ, স্বাধীন, নিরপেক্ষ এবং স্বচ্ছ তদন্তের প্রয়োজনীয়তার ওপরও জোর দিয়েছেন। বিবৃতিতে জাতিসংঘ মহাসচিব এই সপ্তাহান্তে বাংলাদেশে বিক্ষোভের সময় ব্যাপক প্রাণহানির ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেছেন। ৬ই আগষ্ট মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের ডেপুটি মুখপাত্র একথা জানিয়েছেন। https://www.kalerkantho.com/online/national/2024/08/06/1412167 ব্রিটেন বাংলাদেশের একটি শান্তিপূর্ণ ভবিষ্যৎ দেখতে চায় বাংলাদেশে শান্তি পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও প্রাণহানি রোধে সব পক্ষকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডেভিড ল্যামি গত ছয়ই আগষ্ট, মঙ্গলবার। ডেভিড ল্যামি বলেন, ব্রিটেন বাংলাদেশের একটি শান্তিপূর্ণ ভবিষ্যৎ দেখতে চায়। https://www.kalerkantho.com/online/national/ উ্ল্লেখ্য, ভেঙ্গে পড়া প্রশাসনে ট্রাফিক জ্যাম নিয়ন্ত্রণে স্বেচ্ছাসেবী হিসাবে সাময়িক দায়িত্ব পালন করছেন ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন বাংলাদেশের ত্যাগী কর্মীরা, আন্তঃসাম্প্রদায়িক শান্তি-সৌহার্দ্য বজায় রাখতে সংখ্যালঘুদের মন্দির পাহারারত আছেন হেফাজতে ইসলামের অনুসারী কওমী মাদরাসার ছাত্রবৃন্দ। বাংলাদেশ সম্পর্কিত World Peace Research Center গবেষণা প্রতিবেদন বাংলাদেশ সম্পর্কিত World Peace Research Center এর এক গবেষণায় দেখা যায় যে, বাংলাদেশের মানুষ যেমন অতিথিপরায়ন, তেমনি অতি আবেগপ্রবণ যা অনেক সময় বাস্তবতাকেও ছাড়িয়ে যায়। সেমতে বাংলাদেশের সমস্যার মূলে রয়েছে পারস্পরিক অন্তর্দ্বন্দ্ব যা নিছক ভাবাবেগ ব্যতিত বাস্তব কোনো ভিত্তি নেই । একই মাযহাবের অনুসারী হওয়ার কারণে বাংলাদেশে বড় ধরণের ধর্মীয় মতভেদ যেমন নেই তেমনি আন্তঃসাম্প্রদায়িক কোনো বিদ্বেষও নেই। প্রসঙ্গতঃ উল্লেখ্য যে, গত বিংশ শতাব্দীর শেষ দিকে রোমান ভ্যাটিক্যানের খৃষ্টান পোপ দ্বিতীয় জনপল বাংলাদেশ সফর শেষে দেশে ফিরে বিমান বন্দরে সাংবাদিকদের বাংলাদেশ সফরের অভিজ্ঞতা বর্ণনাকালে বলেছিলেনঃ বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অনন্য অসাধারণ দেশ।
বলা হয়ে থাকে “স্বাধীনতা অর্জনের চেয়ে স্বাধীনতা রক্ষা করা কঠিন”। বর্তমান এই নতুন বাস্তবতাকে প্রাধান্য দিয়ে শান্তি, সৌহাদ্যপূর্ণ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় এগিয়ে যেতে হবে। এতে বাংলাদেশ নয় কেবল; সার্কের চেতনায় দক্ষিণ এশিয়াও ইনশাআল্লাহ পরিণত হবে শান্তিময় অন্চল হিসাবে। জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির অধ্যাপক গোলাম আজম বলেছিলেন, “গৃহযুদ্ধ অভিশাপ”। বিএনপি প্রধান বেগম খালেদা জিয়া বলেছেনঃ “বিএনপি ক্ষমতায় গেলে প্রতিশোধপরায়ন হবে না”। অপরদিকে ১৯৯৬ সালের সাধারণ নির্বাচনে নির্বাচিত আওয়ামী লীগের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জনাব আবদুস সামাদ আজাদ যুক্তরাষ্ট্র সফরকালীন সময়ে প্রসঙ্গক্রমে বলেছিলেনঃ “জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের রাজনৈতিক বাস্তবতা”।
এদেশের সংখ্যাগরিষ্ট মানুষ শান্তিবাদ ইসলামের অনুসারী যার জাতিসত্বার নাম মুসলিম অর্থাৎ শান্তিবাদী। এদেশের রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম। সুতরাং, এদেশে অশান্তির স্থান নেই। পবিত্র কুরআনের আল আ'রাফের ৫৬ নং আয়াতে বলা হয়েছেঃ وَ لَا تُفۡسِدُوۡا فِی الۡاَرۡضِ بَعۡدَ اِصۡلَاحِهَا وَ ادۡعُوۡهُ خَوۡفًا وَّ طَمَعًا ؕ اِنَّ رَحۡمَتَ اللّٰهِ قَرِیۡبٌ مِّنَ الۡمُحۡسِنِیۡنَ ﴿۵۶ আর তোমরা যমীনে ফাসাদ করো না তার সংশোধনের পর এবং তাঁকে ডাক ভয় ও আশা নিয়ে। নিশ্চয় আল্লাহর রহমত সৎকর্মশীলদের নিকটবর্তী। ঃতাফসীরে আল-বায়ান শান্তি-শৃঙ্খলা স্থাপিত হওয়ার পর পৃথিবীতে বিপর্যয় সৃষ্টি করো না, আর তাঁকে ভয়-ভীতি ও আশা-ভরসা নিয়ে ডাকতে থাক, আল্লাহর দয়া তো (সব সময়) তাদের নিকটে আছে যারা সৎ কাজ করে। ঃ তাফসীরে তাইসিরুল। ﴾
স্মরণ করা যেতে পারে যে, আফগানিস্তানে মার্কিন বাহিনী থেকে ক্ষমতা গ্রহণের সময় আমরা তালেবান সরকারের নিকট কোনো প্রকার প্রতিশোধপরায়নতা থেকে বিরত থাকার আহবান জানিয়েছিলাম নিম্নোক্ত ইতিহাস তুলে ধরেঃ “মক্কা বিজয়ের পর এক বুড়িমা ব্যাগ এন্ড ব্যাগেজ খুড়াতে খুড়াতে পালাচ্ছিলেন। তার কষ্ট দেখে এক মহান হৃদয়ের অধিকারী ব্যক্তিত্ব বুড়িমাকে সাহায্য করার জন্য বোঝাটা নিজ হাতে তুলে নিয়ে তাকে গন্তব্যস্থানে পৌঁছে দেওয়ার পর বুড়িমা এমর্মে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে বলেনঃ “আল্লাহ মুহাম্মাদের থেকে আমাকে বাঁচিয়েছেন”। ফিরে যাওয়ার সময় বুড়িমা সাহায্যকারী ব্যক্তির নাম জিজ্ঞাসা করলে প্রত্যুত্তরে সাহায্যকারী বললেনঃ “আমিই মুহাম্মাদ”।
বুড়িমা যারপর নাই খুশী হলেন এবং প্রাণভরে তাঁর জন্য দোয়া করলেন আল্লাহর দরবারে। যতদূর জানা যায়, তালেবানরা ক্ষমতা গ্রহণের পর কোনো প্রকার প্রতিশোধ এ ব্যাপারে কখনও নেননি। 0- يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اصْبِرُوا وَصَابِرُوا وَرَابِطُوا وَاتَّقُوا اللَّـهَ لَعَلَّكُمْ تُفْلِحُونَ ◯ পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘হে ঈমানদাররা! তোমরা ধৈর্য ধারণ করো, ধৈর্যে প্রতিযোগিতা করো এবং সর্বদা আল্লাহর পথে প্রস্তুত থাকো, আল্লাহকে ভয় করো, যাতে তোমরা সফলকাম হতে পারো। ’ (সুরা : আলে ইমরান, আয়াত : ২০০) তাই যারা জীবনে সফল হতে চায়, তাদের উচিত, সব বিষয়ে মহান আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা রেখে ধৈর্য ধারণ করা। 200. O ye who believe! persevere in patience and constancy: vie in such perseverance; strengthen each other; and fear Allah; that ye may prosper. Sūra 3: Āl-i-‘Imrān, or The Family of ‘Imrān, Ayat: 200 Verses 200 — Madani; Revealed at Madina — Sections 20https://quranyusufali.com/3/ ধৈর্যশীলতা একটি কল্যাণকর গুণ। এটি অর্জন করতে প্রবল ইচ্ছাশক্তির প্রয়োজন। সঙ্গে প্রয়োজন দৃঢ় ঈমান। কারণ কোনো মানুষের মধ্যে দৃঢ়তা না থাকলে, প্রবল ইচ্ছাশক্তি না থাকলে সে ধৈর্যশীল হতে পারবে না। রাসুল (সা.) একবার আনসারদের কিছু লোককে বলেন, ‘আর যে ব্যক্তি ধৈর্য ধরে তিনি (আল্লাহ) তাকে ধৈর্যশীলই রাখেন। আর যে অমুখাপেক্ষী হতে চায়, আল্লাহ তাকে অভাবমুক্ত রাখেন। ধৈর্যের চেয়ে বেশি প্রশস্ত ও কল্যাণকর কিছু কখনো তোমাদের দান করা হবে না। ’ (বুখারি, হাদিস : ৬৪৭০) দুনিয়ায় মানুষের বিপদাপদ আসা স্বাভাবিক। কিন্তু পরম করুণাময় এর বিনিময়েও মুমিন বান্দাদের গুনাহ মাফ করে দেন। আবু সাঈদ খুদরি (রা.) ও আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী (সা.) বলেছেন, ‘মুসলিম ব্যক্তির ওপর যে কষ্ট-ক্লেশ, রোগব্যাধি, উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা, দুশ্চিন্তা, কষ্ট ও পেরেশানি আসে, এমনকি যে কাঁটা তার দেহে ফোটে, এসবের মাধ্যমে আল্লাহ তার গুনাহগুলো ক্ষমা করে দেন। ’ (বুখারি, হাদিস : ৫৬৪১) https://banglanews24.com/islam/news/bd/1371649.details আমরা সেই সে জাতি, সাম্য মৈত্রি এনেছি মোরা বিশ্ব করেছি জ্ঞাতি (জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম) উল্লেখ্য, বাংলাদেশ জাতিসংঘ শান্তি রক্ষীবাহিনীতে নিয়োজিত বিশ্ব শান্তি রক্ষায় প্রধান কাতারের দেশ। বাংলাদেশের শান্তিবাদী পররাষ্ট্রনীতি হচ্ছে: “সবার প্রতি বন্ধুত্ব কারো প্রতি বিদ্বেষ নয়”। এই নীতি বাংলাদেশে স্বরাষ্ট্রনীতিতেও অন্তর্ভূক্তির জন্য সরকারের প্রতি আমাদের “ওয়ার্ল্ড পীস রিসার্চ সেন্টারের” পক্ষ থেকে দীর্ঘদিনের দাবী ছিল। “ওয়ার্ল্ড পীস রিসার্চ সেন্টারের প্রত্যাশা, “সবার প্রতি বন্ধুত্ব কারো প্রতি বিদ্বেষ নয়” এই নীতি ভবিষ্যত সরকারের অধীনে বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রনীতিতেও অন্তর্ভূক্তি হবে ইনশাআল্লাহ। https://www.pinterest.com/ramzanctg60/dua-blessing-in-light-of-holy-quran-sunnah-1442/ وَمَا تَوْفِيقِي إِلَّا بِاللَّـهِ ۚ ওয়ামা তাওফিকী ইল্লা বিল্লাহ। And my success (in my task) Can only come from Allah. (Source: Sūra 11: Hūd (The Prophet Hūd), Ayat: 88, https://quranyusufali.com/11/) চলমান বাংলাদেশ ৭-৮-২০২৪ আন্দোলনের পর এবার ছাত্র-ছাত্রীদের নগর পরিচ্ছন্নকরণ আন্দোলন শুরু আন্দোলনের পর এবার ছাত্র ছাত্রীদের নগর পরিচ্ছন্নকরণ আন্দোলন শুরু করে যত্রতত্র ময়লা না ফেলতে সাধারণ মানুষকে অনুরোধ করেন তারা। বুধবার (৭ আগস্ট) সকাল থেকে শহরের বিভিন্ন স্থানে চলে এ কর্মসূচি। এ ছাড়া নগরের বিভিন্ন স্থাপনার দেয়াল লিখনও মুছে দেন তারা। আন্দোলন চলাকালে সড়কে পড়ে থাকা আবর্জনা দল বেঁধে পরিষ্কার করছেন শিক্ষার্থীরা। পাশাপাশি যেসব সড়কে ট্রাফিক পুলিশ কিংবা আনসার বাহিনী নিয়োজিত নেই, সেখানে সুশৃঙ্খলভাবে যানবাহন চলাচলে দায়িত্ব পালন করছেন স্কুল-কলেজ এবং মাদরাসার ছাত্ররা। যানবাহনচালকদের ট্রাফিক আইন মেনে চলার অনুরোধও করতে দেখা যায় তাদের। (সূত্রঃ https://www.kalerkantho.com/online/country-news/2024/08/07 ৮-৮-২০২৪ ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির অভিনন্দন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসাবে নির্বাচিত হওয়ায় ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে অভিনন্দন জানিয়েছে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির 8 আগস্ট, বৃহস্পতিবার রাতে সোশ্যাল মিডিয়া এক্স-এ একটি পোস্টে লিখেছেন যে: “ভারত বাংলাদেশের সাথে শান্তি, নিরাপত্তা ও উন্নয়নের মাধ্যমে আমাদের উভয় দেশের জনগণের অভিন্ন আকাঙ্খা পূরণে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ”https://www.jugantor.com/national/835589/Dr.-Yunuske-Narendra-Modir-Shubechcha চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, একটি বন্ধুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী এবং কৌশলগত সহযোগী হিসেবে চীন আশা করে বাংলাদেশে দ্রুত সময়ের মধ্যে সামাজিক স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে। এবার দূর্নীতি দমন অভিযানে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা-কর্মীবৃন্দ ১১-৮-২০২৪ আটা-রঙ মিশিয়ে মরিচের গুড়া তৈরি, ছাত্রদের হাতে ধরা বরিশালের গৌরনদীতে পচা মরিচ, আটা ও রঙ মিশিয়ে মরিচের গুড়া তৈরির কারখানায় অভিযান চালিয়েছেন ছাত্ররা। উপজেলার টরকী বন্দরের শাহ আলম খানের মরিচের গুড়া তৈরির কারখানায় এ অভিযান চালানো হয়। সাধারণ শিক্ষার্থী সানাউল হাওলাদার বলেন, শনিবার দুপুরে মরিচের গুড়া তৈরির কারখানায় গেলে সেখানে পচা মরিচ, আটা ও রঙ মিশ্রিত গুড়া মরিচ দেখতে পান শিক্ষার্থীরা। পরে সেগুলো আটক করা হয়। একই দিন বন্দরের একটি গোডাউনে অভিযান চালিয়ে ভেজাল চাল আটক করেন শিক্ষার্থীরা। অভিযানকালে গৌরনদী ব্লাড ডোনার্স ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা কাজী সুজন, শিক্ষার্থী রাতুল হোসেনসহ অন্যরা। সূত্রঃ সৌজন্যেঃ https://www.jugantor.com/country-news/836636/আটারঙ-মিশিয়ে-মরিচের-গুড়া-তৈরি-ছাত্রদের-হাতে-ধরা

Comments

Popular posts from this blog

How do we stop being reactive and become more proactive?

DONATE IMMEDIATE TO THE PEOPLE OF GAZA